দোয়া তাওয়াসসুল

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২৫, ২০২০
https://youtu.be/syXZvfWDoaw (চৌদ্দ মাসূমের উসিলা ধরে দোয়া) بسم الله الرحمن الرحيم اللّٰهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ وَأَتَوَجَّهُ إِلَيْكَ بِنَبِيِّكَ نَبِيِّ الرَّحْمَةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ، يَا أَبَا الْقاسِمِ ، يَا رَسُولَ اللّٰهِ، يَا إِمامَ الرَّحْمَةِ، يَا سَيِّدَنا وَمَوْلَانَا إِنَّا تَوَجَّهْنا وَاسْتَشْفَعْنا وَتَوَسَّلْنا بِكَ إِلَى اللّٰهِ وَقَدَّمْناكَ بَيْنَ يَدَيْ حَاجاتِنا، يَا وَجِيهاً عِنْدَ اللّٰهِ اشْفَعْ لَنا عِنْدَ اللّٰهِ؛

কোরআনের আয়াত থেকে ইফতারের সময় জেনে নিন

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোরআনের আয়াত থেকে ইফতারের সময় জেনে নিনঃ إِنَّ رَبَّكُمُ اللّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ بِأَمْرِهِ أَلاَ لَهُ الْخَلْقُ وَالأَمْرُ تَبَارَكَ اللّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ. "নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হচ্ছেন আল্লাহ। যিনি আসমানসমুহ ও যমিনকে ছয় পর্যায়ে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি (ক্ষমতার)

“নাজ্জালা” এবং ‘আনযালা’ ক্রিয়াপদদ্বয় বিশ্লেষণ

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২৫, ২০২০
কোরআন নাযিলের মাস মাহে রমজান। 🔸মহান আল্লাহপাক আল কোরআন নাজিল হওয়া বা অবতীর্ণ হওয়া সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে দু’টি ক্রিয়াপদ ব্যবহার করেছেন। যথা- ক. নাজ্জালা এবং খ. আনযালা। এবার এই দু’টি ক্রিয়াপদের ব্যবহারিক দিকের প্রতি নজর দেয়া যাক। ✔১. ‘নাজ্জালা’ ক্রিয়াপদটির অর্থ হলো, বারে বারে নাজিল করা, অল্প অল্প করে নাজিল করা। ষোলআনা কোরআন দীর্ঘ ২৩

সূরা আল ক্বাদর-এর অনুবাদ

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২৪, ২০২০
(আমি)আল্লাহর নামে(শুরু করছি), যিনি রাহমান(পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম(অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)। আমরা নিশ্চিতরূপে তা ক্বদরের রাতে নাযিল করেছি।(১) আর তুমি ক্বদরের রাত সম্বন্ধে কি জান? (২) ক্বদরের (একটি) রাত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। (৩) সেই রাতে প্রতিটি কাজের জন্যে বহু ফেরেস্তা ও রুহ তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়।(৪) সেই রাত

রোযার বিধান

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২৪, ২০২০
আল্লাহ মানুষসহ পুরো সৃষ্টি জগতের সৃষ্টিকর্তা। তিনিই ভাল জানবেন, কোন কাজে মানুষের মঙ্গল আর কোনটা মানুষের জন্যে অমঙ্গল। আজ থেকে চৌদ্দ শতাব্দী আগে কুরআনুল কারিম মানুষের মঙ্গলের জন্যেই রোজার বিধান ব্যক্ত করেছে। আর সেখানেই বলা হয়েছে যে, এর আগেও রোজার বিধান ছিল। (সূরা আল বাক্বারা, সূরা নং ০২, আয়াত নং ১৮৩)। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের মধ্যেও

হক্কানী মুর্শিদের হাতে বাইআ’ত অপরিহার্য

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ২১, ২০২০
পৃথিবীর সূচনাকাল থেকেই আল্লাহ পাক হেদায়েতের দুটি ধারা পাশাপাশি রেখেছেন। একটি ধারার নাম হলো, কিতাবুল্লাহ। আর অপর ধারার নাম হলো রিজালুল্লাহ। রিজালুল্লাহ অর্থ এমন ব্যক্তিত্ব, যারা তাফাক্কুহ ফিদ্দীন তথা দ্বীনি বিষয়ে পরাঙ্গম ও আমলি-নমুনা, রুসূখ ফিল ইলম তথা ইলমি-গভীরতায় অনন্য এবং তাকওয়া ও আল্লাহভীতির গুণে গুণান্বিত হবেন। যারা নিজেদের কর্ম ও আচরণ এবং সূরত ও

তু‌মি আছ অস্তিত্বে!!

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ১০, ২০২০
তু‌মি আছ অস্তিত্বে!! ওরা ব‌লে তু‌মি নেই ! ব‌লে তোমার জন্মই হয়‌নি ! হ‌্যাঁ,বল‌বেই তো ! ওরা তো তোমা‌কে এক ফুৎকা‌রে নি‌ভি‌য়ে দি‌তে চে‌য়ে‌ছি‌লো ! যেম‌নি ক‌রে ও‌দের ধামাচাপায় পিষ্ট হ‌য়ে আ‌ছে সব সত‌্য ! ওরা যে দেয়‌নি রেহাই সর্বশ্রেষ্ঠ সৃ‌ষ্টি মুহাম্মাদ‌কেও ! ফা‌তেমা,আলী,হাসান ,হো‌স‌েইন পে‌রে‌ছি‌লো কি রেহাই পে‌তে? নির্মমতার শেষ ধাপ‌টি কি প্রয়োগ ক‌রে‌নি

এক মহাকা‌লের আবাহন !

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ৭, ২০২০
এক মহাকা‌লের আবাহন! সে‌দিন উ‌ঠে‌ছিল সামারায় এক নতুন সূর্য , ভো‌রের আ‌লোয় উদ্ভা‌সিত ছিল প্রকৃ‌তি , চণ্চল হাওয়ায় মা‌তোয়ারা ভ্রম‌রে ভ্রম‌রে গুন্জন , স্রষ্টার শ্রেষ্টতম সৃ‌ষ্টির সেই আ‌বির্ভাব , প্রিয়তম হে ! তোমার প‌বিত্র জন্ম‌দিন! তোমার দ‌্যূ‌তির দ্যোতনায় পাগল পারা ধরা , অ‌স্থির ধ্রবতারার পুল‌কের নাচন ! মহাপ্রভুর এ কোন ইশারায় ! ধুম‌কেতুর ম‌তো হঠাৎ

হাদীস শরীফে বার ইমাম

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ৫, ২০২০
ইতিপূর্বে উল্লেখিত হয়েছে যে, আল-কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘ক্বিয়ামতের ময়দানে প্রত্যেককে তার ইমামের সাথে পুনরুত্থিত করা হবে ।’ আর এটা নিঃসন্দেহে সত্য যে রাসূল (সা.) এর পরলোকগমনের পর মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন পথ ও মতের উদ্ভব হয়েছে । আর ন্যায় সঙ্গত কারণেই প্রত্যেক জনগোষ্ঠীকে তার অনুসৃত নেতৃত্বের সাথে ক্বিয়ামতের দিবসে পুনরুত্থিত করা হবে । সে কারণে ইসলাম

আল্লাহর রশ্মি আহলে বাইত

পোষ্ট লিখেছেন - এপ্রিল ৩, ২০২০
মূলতঃ নবী করিম (সা.) এর ইন্তেকালের পর প্রায় দুই শতাব্দি কোন মাযহাবের অস্তিত্ব ছিল না । কেননা হযরত আবু হানিফার জন্ম ৮০ হিজরী সনে এবং মৃত্যু ১৫০ হিঃ তে সংঘটিত হয় । হযরত মালিক বিন আনাস (ইমাম মালিক) ৯৫ হিজরীতে জন্ম গ্রহন এবং ১৭৫ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন । হযরত মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস শাফেয়ী ১৫০ হিজরীতে
Translate »