সূরা আল ক্বাদর-এর অনুবাদ

1500 0

(আমি)আল্লাহর নামে(শুরু করছি), যিনি রাহমান(পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম(অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)।

আমরা নিশ্চিতরূপে তা ক্বদরের রাতে নাযিল করেছি।(১)
আর তুমি ক্বদরের রাত সম্বন্ধে কি জান? (২)
ক্বদরের (একটি) রাত হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। (৩)
সেই রাতে প্রতিটি কাজের জন্যে বহু ফেরেস্তা ও রুহ তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়।(৪)
সেই রাত ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত শুধুই শান্তি ও রহমত বহন করবে।(৫)

সূরা “আল ক্বাদর” সম্পর্কে সামগ্রিক কিছু তথ্য

১। কোরআনের বর্তমান উসমানী মুসহাফ এর ক্রমিক নম্বর অনুসারে এ সূরাটি সাতানব্বইতম।
২। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতা অনুসারে এ সূরাটি পঁচিশ নম্বরে অবস্থিত।
৩। নাযিলের স্থানটি হচ্ছে পবিত্র মক্কা নগরী।
৪। আয়াতের সংখ্যা ৫।
৫। এ সূরাটির অভ্যন্তরে অবস্থিত শব্দ সংখ্যা ৩০।
৬। এ সূরাটির অভ্যন্তরে মোট বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে ১১৪ টি।
৭। এ সূরাটির অভ্যন্তরে “আল্ল-হ” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে ১ বার।
৮। সূরাটির নামের অর্থ: “ক্বাদর”-এর অর্থ মূল্যবান।
 

৯। সূরাটির বৈশিষ্ট্য:

ক্বদরের রাত্রি গুরুত্বপূর্ণ, পবিত্রতম ও বরকতময় রাত্রিগুলোর অন্যতম। এ জন্যে পুন: পুন: এ সূরা পড়ার জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে।
 

১০। সামগ্রিকভাবে এ সূরাটির আলোচ্য বিষয় হচ্ছে নিম্নরূপ:

• ক্বদরের রাত্রির গুরুত্ব
• ক্বদরের রাতে ইবাদতের সাওয়াব ও তার মর্যাদা।
• খোদায়ী অনুগ্রহ ও অনুকম্পা।
• ক্বদরের রাত্রি ও মানুষের এক বছরের ভাগ্যের পরিকল্পনা।
• আল্লাহর বান্দাদের জন্যে খোদায়ী প্রশান্তিময় রাত।
• ক্বদরের রাতের সীমারেখার বর্ণনা।
 

১১। সূরা “আল ক্বাদর” তিলাওয়াতের ফযিলত:

• হাযরাত মুহাম্মাদ মুস্তাফা(সা.): “যে ব্যক্তি এ সূরা তিলাওয়াত করবে আল্লাহ তাকে ঐ ব্যক্তির সম পরিমান সাওয়াব দান করবেন যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রেখে ক্বদরের রাত্রিতে রাত্রি জাগরণ করেছে।” [সূরা ক্বাদর, বেলায়াতের প্রদর্শনী(ফারসী), পৃ: নং ১৭-২৫]।
 
• হাযরাত আলী(সালামুল্লাহি আলাইহি): “যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে সূরা ক্বাদর ও সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করবে সে ঐদিন কোন প্রকার গুনাহতে লিপ্ত হতে সক্ষম হবে না, শয়তান যতই চেষ্টা করুক না কেন।” [সূরা ক্বাদর, বেলায়াতের প্রদর্শনী(ফারসী), পৃ: নং ১৭-২৫]।
 
• এই সূরার ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে আমিরুল মু’মিনিন হাযরাত আলী(সালামুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন: “প্রত্যেকটি বিষয়ের একটি ফলাফল আছে, আর আল ক্বুরআনের ফল হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকটি জিনিষের একটি খনি আছে, আর আল ক্বুরআনের খনি হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকের একজন সাহায্যকারী থাকে, আর দূর্বলদের সাহায্যকারী হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকটি বিষয়ের একটা সহজ রাস্তা আছে, আর চরম দূর্দশাগ্রস্থ ব্যক্তির জন্যে সহজ রাস্তা হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকটি বিষয়ের মধ্যে কিছু ত্রুটিমুক্ত ও নিষ্পাপতার চিহৃ থাকে, আর মু’মিনদের নিষ্পাপতা হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রতিটি বস্তুর ভিতরে এক প্রকার হেদায়েত নিহিত থাকে, আর পূণ্যবানদের হেদায়েত হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকের একজন নেতা থাকে, আর ক্বুরআনের নেতা হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রত্যেকটি জিনিষের একটা সৌন্দর্য আছে, আর ক্বুরআনের সৌন্দর্য হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রতিটি বস্তুর একটা ছায়া থাকে, আর ইবাদতকারীদের ছায়া হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রতিটি জিনিষের ভিতর একটা সুসংবাদ দেয়া থাকে, আর জনসাধারণের জন্যে সুসংবাদ হচ্ছে সূরা ক্বাদর। প্রতিটি বিষয়ের একটা অকাট্য দলীল আছে, আর রাসূল(সা.)-এর পর অকাট্য দলীল হচ্ছে সূরা ক্বাদর। অতএব, এর উপর ঈমান রেখো।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৮৯, পৃ: নং ৩৩১)।
• হাযরাত ইমাম মুহাম্মাদ আল বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি): “যে ব্যক্তি এ সূরা উচ্চ কন্ঠে তিলাওয়াত করবে সে ঐ ব্যক্তির সমমর্যাদাসম্পন্ন হবে যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে জিহাদ করেছে। আর যদি নিম্ন স্বরে তিলাওয়াত করে তার অবস্থা ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে ব্যক্তি রক্তমাখা দেহের সাথে শহীদী অবস্থায় পড়ে আছে। যে ব্যক্তি দশ বার এ সূরা তিলাওয়াত করবে আল্লাহ তায়ালা তার এক হাজার গুনাহ মাফ করে দিবেন।”(আল কাফি, খন্ড ২, পৃ: নং ৪৫৪)।
 
• হাযরাত ইমাম মুহাম্মাদ আল বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি) আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি রাতে একশত বার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করে সে সকাল হওয়ার পূর্বেই বেহেস্ত দেখতে পাবে।” (জামি’ আহাদিস আশ শিয়া, খন্ড ১৫, পৃ: নং ১২৬)।
 
• এ সূরা সম্পর্কে হাযরাত ইমাম মুহাম্মাদ আল বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি) আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি রাতে ঘুমানোর পূর্বে এবং ঘুম থেকে উঠার পর সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করে তার এ কাজের সাওয়াব এত বেশী যে, এ সাওয়াব লাওহে মাহফুজকে পর্যন্ত ভরে ফেলবে।” (মুসতাদরাক আল ওয়াসায়িল, খন্ড ৪, পৃ: নং ২৯৩)।
 
• হাযরাত ইমাম মুহাম্মাদ আল বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি) অন্য একটি বর্ণনায় বলেছেন: “যে ব্যক্তি এ সূরা তিলাওয়াত করবে সত্তুর সারীর ফেরেস্তারা প্রত্যেকে সত্তুর বার করে ঐ ব্যক্তির উপর দরুদ ও রহমত পাঠাতে থাকবে।” (বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৮৯, পৃ: নং ৩৩০)।
 
• হাযরাত ইমাম মুহাম্মাদ আল বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি) আরো বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে ঘুমানোর সময় এগার বার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্যে এমন নূর তৈরী করবেন যা সমগ্র পৃথিবীতে ব্যাপৃত থাকবে এবং যার প্রতিটি ধাপে এক হাজার ফেরেস্তা নিয়োজিত থাকবে। তারা সকাল পর্যন্ত ঐ ব্যক্তির জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবেন।” (জামি’ আহাদিস আশ শিয়া, খন্ড ১৫, পৃ: নং ১৪৯)।
 
• হাযরাত ইমাম জাফার সাদিক্ব(সালামুল্লাহি আলাইহি): “রোজ ক্বিয়ামতে যে নূর একজন মু’মিনের আগে আগে থাকবে তা হচ্ছে সূরা ক্বাদরের নূর।”(বিহারুল আনওয়ার, খন্ড ৮৯, পৃ: নং ৩২৯)।
 
• হাযরাত ইমাম জাফার সাদিক্ব(সালামুল্লাহি আলাইহি): “যে ব্যক্তি কোন ফরজ নামাজে এ সূরা তিলাওয়াত করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে অদৃশ্য থেকে ধ্বণি দেয়া হবে, আল্লাহ তায়ালা তোমার অতীত গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন, এখন আমল পুনরায় নতুন করে শুরু করো।” [সূরা ক্বাদর, বেলায়াতের প্রদর্শনী(ফারসী), পৃ: নং ১৭-২৫; সাওয়াবুল আ’মাল, পৃঃ নং ১২৪]।
 
• শুক্রবারের দিন সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত সম্পর্কে ইমাম মুসা আল কাযিম(সালামুল্লাহি আলাইহি)বলেছেন: “রোজ শুক্রবার আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর বান্দাদের জন্যে এক হাজার প্রকার রহমত সংরক্ষিত রয়েছে। প্রত্যেক বান্দা এই রহমত থেকে তার গুণ অনুযায়ী উপকৃত হয়ে থাকে। তবে যে ব্যক্তি শুক্রবারের দিন দুপুরের পর একশত বার এই সূরা তিলাওয়াত করবে আল্লাহ তায়ালা তাকে ঐ হাজার প্রকার রহমতের সবটুকুই দান করবেন।”(আল আমালি লি সাদুক্ব, পৃ: নং ৭০৩)।
 

১২। সূরা “আল ক্বাদর” -এর মাধ্যমে তদবীর:

• বর্ণিত আছে যে, হাযরাত ইমাম রিদ্বা(সালামুল্লাহি আলাইহি) যখনি কোন নতুন পোশাক পরিধান করতেন তার পূর্বে তিনি একটি পানির পাত্রের উপর দশবার সূরা ক্বাদর, দশবার সূরা ইখলাস ও দশবার সূরা কাফিরুন তিলাওয়াত করে ফু’ দিতেন এবং সেই পানি নিজের জামাতে ছিটিয়ে দিতেন। তখন তিনি বলতেন, পোশাক পরিধানের পূর্বে যে ব্যক্তি এরকম করবে সে তার পোশাকের একটা সুতা অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত অনবরত নেয়ামত ও আনন্দের মধ্যে অবস্থান করবে।
 
• যে ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয়ে পড়েছিল এমন একজন ঋণী ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে ইমাম বাক্বির(সালামুল্লাহি আলাইহি) বলেছেনঃ “বেশী করে ইসতিগফার করো আর সূরা ক্বাদর বেশী করে তিলাওয়াত করো।” (আল কাফি, খন্ড ৫, পৃঃ নং ৩১৭)।
 
• ইমাম আমিরুল মু’মিনিন হাযরাত আলী(সালামুল্লাহি আলাইহি)বলেছেন: “একজন মানুষের সর্বোত্তম বন্ধু হচ্ছে সূরা ক্বাদর, যার মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ করা যায়।” (জামি’ আহাদিস আশ শিয়া, খন্ড ১৫, পৃ: নং ১২৭)।
 
• কোন এক রেওয়্যাতে ইমাম জাফার সাদিক(সালামুল্লাহি আলাইহি) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি তার দেহের কোন ব্যাথা উপশম করতে চায়, সে যেনো নিজে একটি কলসিতে পানি ভর্তি করে ত্রিশবার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত পড়ে ফু’ দেয়। অতঃপর সেই পানি থেকে সে পান করবে, ওযু করবে, গোসল করবে। যখনি পানি কমে যাবে অন্য পানি মিশিয়ে নিবে। তিন দিন পরেই দেখবে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তার সকল ব্যাথা বেদনা দূর হয়ে গেছে।” (ত্বিব্বুল আয়িম্মা, পৃঃ নং ১২৩)।
 
• অপর এক রেওয়্যাতে ইমাম জাফার সাদিক(সালামুল্লাহি আলাইহি) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা ক্বাদর পানির উপর পড়ে তা পান করে, আল্লাহ তায়ালা এক প্রকার বিশেষ নূর ঐ ব্যক্তির চোখের জন্যে নির্দিষ্ট করে দিবেন।” (মুসতাদরাক আল ওয়াসায়িল, খন্ড ৪, পৃঃ নং ৩১৪)।
 
• বর্ণিত আছে যেঃ “যখন কোন গর্ভবতি মহিলা প্রসব বেদনায় কষ্ট পচ্ছে বলে মনে হবে তখন যেনো কেউ তার পাশে বসে সূরা ক্বাদর বেশী করে পড়তে থাকে।” (আদ্ দাআওয়াত, পৃঃ নং ২০১)।
 
• ইমাম বাক্বির সাদিক(সালামুল্লাহি আলাইহি)বলেছেনঃ “যদি কোন গর্ভবতি মহিলা (ছেলে বা মেয়ের ক্ষেত্রে) তার ইচ্ছামত সন্তান কামনা করে তাহলে যেনো কোন একটি পাত্রে মিশক ও যাফরান দিয়ে সূরা ক্বাদর লিখে সেটা ধুঁয়ে সেই গর্ভবতী মহিলাকে খাওয়ানো হয়।” (ত্বিব্বুল আয়িম্মা, পৃঃ নং ৯৬)।
 
• ইমাম জাফার সাদিক(সালামুল্লাহি আলাইহি) থেকে বর্ণিত আছে যে, “যদি সূরা ক্বাদর কোন নতুন মাটির পাত্রে লিখে তা বৃষ্টির পানি দিয়ে ধুঁয়ে সামান্য চিনি মিশিয়ে যকৃৎ (Liver)-এর ব্যাথায় আক্রান্ত রোগীকে পান করানো হয় তাহলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে সেই ব্যক্তির যকৃৎ(Liver)-এর ব্যাথা ভাল হয়ে যাবে।(মুসতাদরাক আল ওয়াসায়িল, খন্ড ৪, পৃঃ নং ৩১৪)।
 
• ইমাম জাফার সাদিক(সালামুল্লাহি আলাইহি) আরো বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি ইশার নামাজের পর পনের বার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করবে সে আগামী রাত্রি অবধি আল্লাহর আশ্রয়ে অবস্থান করবে। আর যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে সাতবার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করবে সে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর আশ্রয়ে অবস্থান করবে। (তাফসীরুল বুরহান, খন্ড ৫, পৃঃ নং ৬৯৯)।
 
• ইমাম মুহাম্মাদ তাক্বী আল জাওয়াদ(সালামুল্লাহি আলাইহি) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা ক্বাদর যে কোন ফরজ নামাজে পাঠ করবে তার নামাজ ইল্লিয়িনে কবুল হয়ে যাবে এবং তার সেই নামাজের সাওয়াব বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি এই সূরা পড়ে দোয়া করবে তার দোয়া লাওহে মাহফুজে লেখা হয়ে যাবে।” (মুসতাদরাক আল ওয়াসায়িল, খন্ড ৪, পৃঃ নং ১৯০)।
 
• ইমাম রিদ্বা(সালামুল্লাহি আলাইহি) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি ওযু গ্রহনের সময় সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করবে সে গুনাহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হবে যে, মনে হবে এইমাত্র মায়ের পেট থেকে ভুমিষ্ট হলো।” (ফিক্বহুর রিদ্বা, পৃঃ নং ৭০)।
 
• ইমাম রিদ্বা(সালামুল্লাহি আলাইহি) আরো বলেছেনঃ “যদি কোন ব্যক্তি কোন মুমিন ব্যক্তির কবরের সামনে দাড়িয়ে যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সাতবার সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করে তাহলে আল্লাহ তায়ালা সেই তিলাওয়াতকারী ও কবরবাসী উভয় ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিবেন।” (মান লা ইয়াহদ্বারুহুল ফাক্বিহ, খন্ড ১, পৃঃ নং ১৮১)।
 
• “প্রতিদিন ফজর নামাজের পর দশবার করে সূরা ক্বাদর তিলাওয়াত করলে রিযিক বৃদ্ধির তড়িৎ ও আশ্চর্য ফলাফল পাওয়া যায়। তাছাড়াও যে ব্যক্তি হাজত পূরণের লক্ষ্যে ৩৬০ বার এই পবিত্র সূরা তিলাওয়াত করে তার হাজত নিশ্চিত পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।” [দারমন ব কোরআন (ফারসী), পৃঃ নং ১৫৪]।

Related Post

সূরা আল ক্বোরাইশ-এর অনুবাদ

Posted by - September 22, 2019 0
(আমি) আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যিনি রাহমান (পরম করুণাময় সকল সৃষ্টির জন্যে), যিনি রাহিম (অসীম দয়াবান কিছু বিশেষ ব্যক্তিদের জন্যে)।…

সূরা “আত্ তাগ্বাবুন” সম্পর্কে সামগ্রিক কিছু তথ্য

Posted by - August 20, 2019 0
১। কোরআনের বর্তমান উসমানী মুসহাফ এর ক্রমিক নম্বর অনুসারে এ সূরাটি চৌষট্টিতম। ২। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতা অনুসারে এ সূরাটি একশত…

সূরা আল কাফিরুন

Posted by - August 15, 2020 0
সূরা “আল কাফিরুন” সম্পর্কে সামগ্রিক কিছু তথ্য ১। কোরআনের বর্তমান উসমানী মুসহাফ এর ক্রমিক নম্বর অনুসারে এ সূরাটি একশত নয়তম।…

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »